মাস্ক লাগানো, খোলা, ফেলে দেওয়ার ও ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি কি?

১. মনে রাখবেন, মেডিকেল মাস্ক কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকর্মী, যিনি রোগীর যত্ন নিচ্ছেন এবং জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের লক্ষণ যাঁদের আছে, তাঁদেরই ব্যবহার করা উচিত। ২. মাস্ক লাগানোর আগে অ্যালকোহল-দেওয়া হ্যান্ডরাব বা সাবান এবং পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। ৩. মাস্কটি ভালভাবে দেখে নিন যাতে ছেঁড়া বা ফাটা না থাকে। ৪. মাস্কের উপরের দিকটি ঠিক করে দেখে নিন ( যেখানে ধাতুর স্ট্রিপটি রয়েছে)l ৫. পরার সময় মাস্কের রঙিন দিকটি বাইরের দিকে থাকবে। ৬. মাস্কটি আপনার মুখের ওপর রাখুন। ধাতুর স্ট্রিপটি বা মাস্কের শক্ত দিক আঙ্গুল দিয়ে নাকের ওপর চেপে লাগান যাতে মাস্কটি ভালভাবে নাকের আকার ধারন করে। ৭. মাস্কটি নীচের দিকে টানুন যাতে এটি আপনার মুখ এবং থুতনি ঢেকে রাখে। ৮. ব্যবহারের পরে, মাস্কটি খুলে ফেলুন - কানের পিছন থেকে ইলাস্টিক লুপগুলি সাবধানে খুলে ফেলুন, যাতে সামনের সম্ভাব্য দূষিত দিকগুলি না ছোঁয়া হয় এবং নিজের মুখ এবং জামাকাপড় থেকে দূরে রাখা হয় l ৯. ব্যবহারের পরে অবিলম্বে একটি বন্ধ বিনে মাস্কটি ফেলে দিন। ১০. মাস্ক ছোঁয়া বা খোলার পর হাত ভাল ভাবে পরিষ্কার করুন - সাবান ও পানি দিয়ে নিজের হাত ধোবেন বা তা না হলে, অ্যালকোহল-দেওয়া হ্যান্ডরাব ব্যবহার করবেন l মাস্ক পরার বিষয়ে এই ভিডিওটা দেখুন - https://youtu.be/rxo6Fh8g2g0

কম খরছে, আমরা কিভাবে সহজে জীবাণুনাশক তৈরি করতে পারি?

করোনা মোকাবেলায় জীবাণুনাশক দ্রবণ (Antiseptice Solution) তৈরির নিয়ম - ব্লিচ ব্যবহার করেঃ ব্লিচ বাজারে ক্লোটেক (Chlotech) ক্লোরক্স, ক্লোরেক্স, ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়। ব্লিচ ব্যবহার করে জীবাণুনাশক দ্রবণ তৈরির পদ্ধতি হলোঃ ক) অধিক মাত্রার সংক্রামক জীবাণুনাশক দ্রবণঃ (হাসপাতাল বর্জ্য বা আক্রান্ত মৃতদেহ) ১ লিটার পানি ও ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ব্লিচ দ্রবণ এ অনুপাতে প্রয়োজন মত দ্রবণ তৈরি করে নিন। খ) স্বল্প মাত্রার সংক্রামক জীবাণুনাশক দ্রবণঃ (সাধারণ গৃহস্থালি, পরিষ্কারের কাজে) ১ লিটার পানি ও ২ চা চামচ পরিমাণ ব্লিচ দ্রবণ এ অনুপাতে প্রয়োজন মত দ্রবণ তৈরি করে নিন। - ব্লিচ পাউডার ব্যবহার করেঃ ব্লিচ পাউডার বাজারে পাউডার বা গুড়া হিসেবে পাওয়া যায়। ব্লিচিং পাউডার দিয়া দু'ধরনের জীবাণুনাশক দ্রবণ তৈরি করা যায়। একটি বেশী ঘনত্বের- ১ঃ১০ ঘনত্বের যা দ্বারা অধিক সংক্রামক বর্জ্য, হাসপাতালের বর্জ্য, আক্রান্ত মৃতদেহ, ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করা হয়। আরেকটি ১ঃ১০০ ঘনত্বের দ্রবণ যা সাধারণ পরিষ্কারের কাজ যেমন আসবাবপত্র, যন্ত্রাংশ, ফ্লোর, গাড়ী ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ক) ১ঃ১০ ঘনত্বের দ্রবণ তৈরিঃ ২ লিটার পানি ১ টেবিল চামচ পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার অনুপাতে প্রয়োজন মত দ্রবণ তৈরি করে নিন খ) ১ঃ১০০ ঘনত্বের দ্রবণ তৈরিঃ ২০ লিটার পানি ১ টেবিল চামচ পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার অনুপাতে প্রয়োজন মত দ্রবণ তৈরি করে নিন। বিঃদ্রঃ এ মিশ্রণটি দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহারযোগ্য। পানযোগ্য নহে। রান্না বা সংশ্লিষ্ট কাজে অব্যবহারযোগ্য। শিশুদের হাতের নাগালের বাহিরে রাখুন।